1. admin@newsbanglatv24.com : admin :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শুরু হোক রোজার প্রস্তুতি। পল্লবীতে ভোটকেন্দ্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ: ২ জামায়াত কর্মীকে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন মন্দিরে শিব পূজা পালন। রংপুর-৪ ও ৬ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে বিক্ষোভ। মাইকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চলছে : আখতার হোসেন। রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবি দিয়ে কী লিখলেন অপু বিশ্বাস। হাসনাত আবদুল্লাহর আসনে গণঅধিকারের প্রার্থীর ভোট বর্জন। রংপুর বিভাগে ঝুঁকিতে ২৫০০ কেন্দ্র, ৬ স্তরের নিরাপত্তা। নির্বাচনের প্রচারণার শেষ মুহূর্তে বাবা–মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান। ধানের শীষ জেতাতে ভোটের মাঠ কাঁপাচ্ছেন করিম উদ্দিন ভরসার সন্তানরা।

মেয়ের ধর্ষণ মামলায় বাবা আসামী অভিযোগ মিথ্যে দাবি বাবার।

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • Update Time : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সাবেক স্ত্রী ও তার মেয়ের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মিথ্যে ধর্ষণ মামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে এক বাবা বিচারের আশায় এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। নিজের তিলে তিলে গড়া বাড়ি-ঘর ছেড়ে এই বৃদ্ধ পিতা এখন আশ্রয় নিয়েছেন নিকট আত্মীয়দের কাছে।এমনি অভিযোগ করেছেন ঢাকার আশুলিয়ার ইসলামনগর গ্রামের ভূক্তভোগী বাবা মৃত আব্দুল সোবহানের ছেলে আব্দুর রহিম (৬০)। জানা গেছে, ফাতেমা বেগম (৪০) তাদের ছোট মেয়ে সুমনা ইসলাম ঋতু (১৭) কে বাবা আব্দুর রহিম ধর্ষণের চেষ্টা করেছে মর্মে আশুলিয়া থানায় ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ৮৪ (৯) নং একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় বলা হয়, গত ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাবা আব্দুর রহিম তার নিজের মেয়ে সুমনা ইসলাম ঋতুতে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মামলায় রীতিমতো আব্দুর রহিম জামিনে এসেছেন।আব্দুর রহিম জানান, ৩৪ বছর কুয়েতে প্রবাসী জীবন কাটিয়ে তিলে তিলে গড়া আশুলিয়ার ইসলাম নগরের বাড়িতে তিনি থাকতে পারছেন না। তার সাবেক স্ত্রী ফাতেমা বেগম বিভিন্ন সময় সম্পত্তির জন্য রহিমের উপর অমানুষিক নির্যাতন করতো। এসব নির্যাতনের ফলে বিভিন্ন সময় থানার দ্বারস্থ হলেও প্রতিকার মেলেনি। আব্দুর রহিমকে বিভিন্ন সময় মারপিট করে ওই বাড়ি থেকে বের করে দেয় তার সাবেক স্ত্রী ফাতেমা বেগম, মেয়ে সুমাইয়া ইসলাম রবি ও সুমনা ইসলাম ঋতু ও ছাত্রলীগের ক্যাডার জামাতা কাউসার।
আব্দুর রহিম আরও জানান, ইতিপূর্বে সাবেক স্ত্রীর ঘরে জন্ম নেওয়া তার বড় মেয়ে সুমইিয়া ইসলাম রবি (১৯) কে দিয়ে গাজীপুরে ২০২৪ সালের ২৮/২/২০২৪ মামলাি নং ৫২ (২৪) একটি ধর্ষণ মামলা দেয়। পরবর্তীতে পিবিআইয়ের তদন্তে সে মামলা থেকে রেহায় পান আব্দুর রহিম। সম্পত্তির জন্য পরবর্তীতে আবারো আশুলিয়া থানায় ছোট মেয়ে সুমনা ইসলাম ঋতুকে দিয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ফাতেমা বেগম। এই মামলাটিও মিথ্যে বলে দাবি করেন আব্দুর রহিম।এছাড়াও তিনি বলেন, গত ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আমাকে মারপিট করার কারণে পূর্বে দেওয়া অভিযোগের ব্যাপারে খোঁজ নিতে আশুলিয়া থানায় যাই। ওসির অপেক্ষায় থাকাকালীন অবস্থায় সাবেক ওসি আব্দুল হান্নান এসে আমাকে তলপেটে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে হাজতে ঢুকাতে নির্দেশ দেন। কথিত ধর্ষণ মামলায় আমাকে লাঞ্ছিত করে গ্রেফতার করেন এসআই মাহমুদুল হাসান। এসআই মাহমুদুল হাসান আমার সাথে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তার ভেতরে থাকা সকল ডকুমেন্ট ডিলিট করে দেন। পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকাও নিয়ে নেন তিনি। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনটি ফেরত দিলেও টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র আজ অবধি আমি ফেরত পাইনি।এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার সাব ইন্সপেক্টর ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, আব্দুর রহিমের মেয়ে সুমনা ইসলাম ঋতুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে তার মা ফাতেমা বেগম আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। যার তদন্ত কাজ এগিয়ে চলছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি আর কোন তথ্য দিতে রাজী হননি।এদিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ দিলেও তা ধর্ষণ মামলা হলো কিভাবে এই প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান।এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসিকে বারবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি আব্দুল হান্নান এখন রাজধানীর একটি থানায় কর্মরত আছেন। তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, আশুলিয়া থানা থেকে তিনি বদলী হয়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য দিতে পারবেন।মামলার বাদী ফাতেমা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। এ ধরনের ষ্পর্শকাতর মামলার বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হবে জেনে তিনি সময় দিলেও তার বাসায় একাধিকবার গেলেও তিনি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হননি। তিনি ও তার মেয়েরা বাসায় নেই বলে জানান। সাংবাদিকরা সাক্ষাতকার নিতে গেলে ফাতেমা বেগমের প্রকাশ্যে না আসা যা রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেন ইসলাম নগরবাসী।আব্দুর রহিম বলেন, সম্পত্তির জন্য বারবার ফাতেমা বেগম, তার মেয়েরা ও মেয়ের জামাতা কাউসার বিভিন্ন সময় তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে। আশুলিয়া থানায় গিয়ে এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেও তার কোন প্রতিকার মেলেনি। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ ধরনের মিথ্যে মামলা থেকে অব্যাহতি চাই। আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, এ ধরনের ষ্পর্শকাতর অভিযোগ প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া মামলা হিসেবে গ্রহণ করায় পুলিশী কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। মামলারতদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহমুদুল হাসান মামলাটি হাতে পাওয়ার পর তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে না গিয়ে বাদীর অভিযোগের সাথে মিল রেখে প্রতিবেদন পেশ করেন যা প্রশ্ন বিদ্ধ। তিনি প্রভাবিত হয়ে মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন বলে মনে করেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025 BdiT
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT