শেখ রুবেল খাঁন রংপুর প্রতিনিধি।
রংপুর-৪ ও রংপুর-৬ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। এসময় তারা ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।
অন্যদিকে, রংপুর-৪ আসনের হারাগাছে বিএনপি প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএনপি।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে এনসিপির আখতার হোসেন (শাপলা কলি) ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট।
বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট, এজেন্টদের বাধা দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং গণনায় অনিয়ম হয়েছে। তারা বলছেন, পুনর্গণনা না হলে ফলাফল মেনে নেওয়া যাবে না।
হারাগাছ বাজার, পীরগাছা-কাউনিয়া সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় বিএনপি কর্মীরা সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন। স্লোগান উঠছে- ‘জাল ভোট মানি না’, ‘পুনর্গণনা চাই’, ‘আখতার হোসেন ফিরে যাও’ ইত্যাদি। কয়েকটি স্থানে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. শাহান বলেন, ভোট পুনঃগণনার আবেদনটি পেয়েছি। তা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
এদিকে, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনেও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। তারা সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘেরাও করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে অবিলম্বে ফল পুনর্গণনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মো. নুরুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির নুর আলম মিয়া ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ২৮৭টি।