রংপুর প্রতিনিধিঃ
‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন গুরুতর সামাজিক অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ধর্ষণের মতো নৃশংস অপরাধ দমনে র্যাব সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও কঠোরতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মোঃ ফজলে রাব্বী (২৩) ভিকটিমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বগুড়া সদর থানার জহুরুল নগর এলাকায় একটি বাসায় ভিকটিমকে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ভিকটিম গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বগুড়া সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং–০৭)।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী এবং র্যাব-১২, সিপিএসসি, বগুড়া র্যাব ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ২টা ৫ মিনিটে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানাধীন ভুল্লিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান পলাতক আসামি মোঃ ফজলে রাব্বী (২৩), পিতা– মোঃ দবিরুল ইসলাম, সাং– ভুল্লিপাড়া, থানা– বোদা, জেলা– পঞ্চগড়কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব জানিয়েছে, এ ধরনের সহিংস অপরাধ প্রতিরোধে বাহিনীর প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধভাবে কাজ করছে এবং অপরাধ দমনে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।