1. admin@newsbanglatv24.com : admin :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুরে এএসআই পিয়ারুল হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড: আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার, আপিলের ঘোষণা আসামিপক্ষের। কাউনিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার; অসুস্থতা জনিত কারণে আত্মহত্যার ধারণা। ​রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ। জামিন হলেই আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া সেই ডিআইজিকে নোটিশ। ভাইরাল পঞ্চগড়ের পকেটমার গ্রেফতার, র‌্যাব-১৩ এর অভিযানে উদ্ধার টাকা। কুড়িগ্রামে প্রতারণা মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার। কালিয়াকৈর-এ শ্বশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ; গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ বাবার সঙ্গে বিরোধের ‘বলি’ শিশু ইরা মনি। নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ: চার আসনের নথিপত্র হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের। স্ত্রী আত্মহত্যার ঘটনায় জাহের আলভী-তিথির নামে মামলা।

সৎবাবার ধর্ষণে সন্তানের মা হলো কিশোরী অভিযুক্ত কারাগারে।

রাজশাহী ডেস্ক:
  • Update Time : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহী ডেস্ক:

রাজশাহীর চারঘাটে সৎবাবার ধর্ষণের ফলে মা হয়েছিল এক কিশোরী। ধর্ষণের শিকার মেয়েটি (১২) এখন এক পুত্র সন্তানের “মা”। ডিএনএ পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়েছে প্রকৃত ধর্ষক ভুক্তভোগীর সৎবাবা।

অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে বয়ান দিয়েছেন। অভিযুক্ত এর সৎবাবা জেলার চারঘাট উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমান শহরের দরগাপাড়া-পাঠানপাড়ায় ভাড়া বাসায় তিনি বসবাস করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী নানি বাড়িতে এসে মামার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়। একপর্যায়ে সে গর্ভবতী হয়। সময়ের ব্যবধানে তার একটি বাচ্চা হয়। তবে পুলিশের তদন্তে এবং ডিএনএ পরীক্ষা মাধ্যমে জানা যায় জন্ম নেওয়া সন্তানের বাবা কিশোরীর মামা নয়। জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা ওই কিশোরীরর সৎবাবা। ভুল বসত মামাকে অভিযুক্ত ভেবে গর্ভবতী মেয়েকে তার মামার সঙ্গে বিবাহ দেওয়া হয়। এই ভুলটি করেছে স্থানীয়র গ্রামের বাসিন্দারা।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে। পিবিআই বলছে, সৎবাবার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়ে মেয়েটি গর্ভবতী হলেও সে তার মামার মাধ্যমেও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাই দু’জনের বিরুদ্ধেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাজশাহী পিবিআইয়ের তথ্যমতে ২০২১-২২ সালে ওই কিশোরী রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় তার নানাবাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত। সেখানে সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। পরে সে জানায়, ২০২১-২২ সাল পর্যন্ত নানাবাড়িতে থাকাকালে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে মামা তাকে দিনের পরে দিন ধর্ষণ করে।

এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ২২ নভেম্বর ২০২২ সালে স্থানীয়রা ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ৭ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে মামার সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে দেয়। ভুক্তভোগী মেয়েটি এই বিয়ে মানতে না পেরে নিজেকে আড়াল করে রাখে। একপর্যায়ে মেয়ের মা শহরের ভাড়া বাসায় মেয়েকে নিয়ে যায়। পরে ৩ মার্চ ২০২৩ তারিখে মেয়েটি এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়।

ভুক্তভোগী মেয়ের মা বাদী হয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল মামলা করেন। মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। পুলিশ আসামিকে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে গ্রেফতার করে। বিজ্ঞ আদালত ওই কিশোরী, তার সন্তান ও আসামির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। তবে আসামির সঙ্গে নবজাতকের ডিএন-এর কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।

পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, পরবর্তী পিবিআই-এর তদন্তে সৎবাবার ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে নবজাতকের ডিএনএর সঙ্গে মিল পাওয়া যায়। ২১ জানুয়ারি অভিযুক্ত সৎবাবা নগরের মুক্তমঞ্চ এলাকা থেকে গ্রেফতার হয়। আদালতে স্বীকার করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2025 BdiT
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT